Is it Permissible to Draw Pictures in Islam | প্রাণীর ছবি
আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টি
মহান আল্লাহ তায়ালা সকল সৃষ্টির মালিক। তিনি মানব জাতিকে সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তাঁর ইবাদতের জন্য। পাহাড়-পর্বত, নদী-নালা, খাল-বিল, বন-জঙ্গল, সাগর-মহাসাগর সবকিছুই তাঁর সৃষ্টি। এছাড়া তিনি বিশাল আকাশ, চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ নক্ষত্র ইত্যাদি সৃষ্টি করেছেন। আলো, বাতাস, পানি, খাদ্য, সবকিছুই তাঁর দান। আমাদের উচিত তাঁর ইবাদতে অন্য কাউকে শরিক না করা এবং তাঁর আদেশ অনুযায়ী দুনিয়াতে চলা।
বস্তু বা প্রাণহীন জিনিসের ছবি অঙ্কন
ইসলামে ছবি অঙ্কনকে নিষিদ্ধ করা হয়নি, তবে সেই ছবি হতে হবে প্রাণহীন প্রকৃতির ছবি। যেমন: ফুল, ফল, গাছপালা, নদী-নালা, পাহাড়-পর্বত, বন-জঙ্গল ইত্যাদি। কোন বস্তু বা প্রাণহীন জিনিসের ছবি বা চিএ অঙ্কন করা ইসলামে জায়েজ আছে। কিন্তু কোনো প্রাণীর ছবি আঁকা ইসলামের দৃষ্টিতে নিষিদ্ধ। অর্থাৎ যে জিনিসের জীবন আছে সেই জিনিসের চিত্র বা ছবি আঁকা ইসলামে নিষেধ করা হয়েছে। যেমন- মানুষ, পশু-পাখি, গরু-ছাগল ইত্যাদি। সহজভাবে বলতে গেলে মানুষ প্রাণীর ছবি বাদে যেকোনো প্রকৃতির ছবি আঁকতে পারবে। এটি ইসলামে জায়েজ আছে।
রুহু প্রদান করা আল্লাহ তায়ালার কাজ
মহান আল্লাহ তায়ালা মানবজাতি ও জীবজন্তুকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার দেহের ভেতর 'রুহু' প্রদান করেন। মানুষ যদি আল্লাহ তায়ালার ন্যায় কোন প্রাণীর ছবিকে অঙ্কন করতে চায় তাহলে এটি আল্লাহ তায়ালাকে চ্যালেঞ্জ করার সমান হয়। কারণ মানুষ কখনই কোন প্রাণীকে 'রুহু' দান করতে পারেনা। এটি আল্লাহ তায়ালার কাজ। আমরা আল্লাহ তা'আলার কোন কাজকে নিজের মধ্যে ধারণ করব না। এ ধরনের কাজ শিরকের অন্তর্ভুক্ত। যে ব্যক্তি দুনিয়াতে এ ধরনের কাজ করবে মহান আল্লাহ তায়ালা তাকে পরকালে কঠিন শাস্তি দেবেন।
অতিরিক্ত ছবি তোলা বন্ধ করা
প্রাণীর ছবি তোলা আর ছবি অঙ্কন করার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। মানুষ ছবি তুলে আল্লাহ তায়ালার অপূর্ব সৃষ্টিকে ক্যামেরার মধ্যে ধারণ করার জন্য। আর যখন কোন প্রাণীর ছবিকে কাগজের মধ্যে হুবহু আঁকা হয় তখন এটি আল্লাহর ক্ষমতার সাথে সাদৃশ্য করার সমান হয়। এ ধরনের জঘন্যতম পাপ থেকে বাঁচতে হলে, আমাদেরকে সবসময় প্রাণীর ছবি অঙ্কন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। এবং প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত ছবি তোলা বন্ধ করতে হবে।
প্রাকৃতিক বা প্রাণীর ছবি তুলা
ইসলামে ছবি তোলাকে হারাম বলা হয়নি। মানুষ চাইলে প্রাকৃতিক বা প্রাণীর ছবি তুলতে পারবে। যেহেতু এটি একটি প্রতিচ্ছবি মাত্র। সহজভাবে বলতে গেলে, আমরা যখন আয়নার সামনে দাঁড়াই তখন আয়নার সামনে যে ছবিটি দেখা যায় সেটি আমরা না বরং এটি একটি প্রতিচ্ছবি।
আগুন আল্লাহর শাস্তির একটি উৎস
মহান আল্লাহ তায়ালার কোন কাজকে আমরা নিজের মধ্যে ধারণ করব না। কোন প্রাণী যদি আমাদের ক্ষতি করতে চায়; যেমন- সাপ, বিচ্ছু, ইঁদুর ইত্যাদি তাহলে আমরা তাদেরকে আগুনে পুড়িয়ে মারব না। এভাবে কোন প্রাণীকে আগুনে পুড়িয়ে মারা ইসলামে নিষেধ করা হয়েছে। কারণ 'আগুন' মহান আল্লাহ তায়ালার শাস্তির একটি উৎস। দুনিয়ার ন্যায় প্রণয়নে কোন মানুষকে আগুন দিয়ে শাস্তি দেয়া যাবে না। 'আগুন' দিয়ে একমাত্র আল্লাহ তা'আলা শাস্তি দিতে পারবে। এটি আল্লাহ তায়ালার শাস্তি দেয়ার একটি প্রক্রিয়া।
ভাস্কর্য বা মূর্তি তৈরি করা যাবে না
প্রাণীর ছবি কাগজে আঁকাসহ কোনো ভাস্কর্য বা মূর্তি তৈরি করা যাবে না। হযরত মুহাম্মদ (সা:) আম্মাজান আয়েশা (রা:) কে উদ্দেশ্য করে বলেন, কেয়ামতের দিন সবচেয়ে বেশি শাস্তি তাকে দেয়া হবে যে ভাস্কর্য তৈরি করে বা আল্লাহর সৃষ্টির সাথে সাদৃশ্য করে কিছু তৈরি করতে চায়। তাদেরকে বলা হবে- তুমি দুনিয়াতে যে প্রাণীটি চিত্র অঙ্কন করেছে বা ভাস্কর্য তৈরি করেছে; এবার এঁদের দেহে প্রাণ বা রুহু দাও। যতক্ষণ পর্যন্ত তারা ভাস্কর্যটিকে প্রাণ দিতে পারবে না ততক্ষণ পর্যন্ত জাহান্নামের ভয়ানক শাস্তি ভোগ করবে।
কখনো কখনো ইসলাম হারামকে হালাল করে দেয়
মেডিকেল শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সময় তাদেরকে বিভিন্ন গবেষণায় মানুষ বা পশুপাখির চিত্র অঙ্কন করতে হয়। এবং তাদের বইগুলোতেও প্রাণীর চিত্র হাতে অংকন করা হয়েছে। মূলত তাদের উদ্দেশ্য কোন মানুষের মুখমন্ডলকে তুলে ধরা নয় বরং মানুষের দেহের বিভিন্ন অঙ্গ কোথায় অবস্থান করছে সেটা মেডিকেল শিক্ষার্থীদের জানানো। এটি তাদের জন্য জরুরী। কারণ তারা আগামীতে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করবে এবং মানুষকে সেবা প্রদান করবে। ইসলামে বলা হয়েছে যখন কোনো জিনিস অতি জরুরি হয়ে যায় তখন ইসলাম হারামকে হালাল করে দেয়। এছাড়া বাচ্চাদের বিভিন্ন বইতে কার্টুন আছে, বাচ্চারা যদি সেটা দেখে পড়াশুনা করে তাদের বুঝতে সুবিধা হয়। তাই ইসলাম এটিকে জায়েজ করেছে।
উপসংহার
পরিশেষে বলা যায়, ইসলামে প্রাণীর ছবি হাতে অংকন করা হারাম। প্রাণীর চিত্র অঙ্কন করা আল্লাহর ক্ষমতার সাথে সাদৃশ্য করার সমান। কোন প্রাণীর চিত্র অঙ্কন করা মুসলিমদের জন্য বৈধ নয়। যদি কোন মুসলিম তা অমান্য করে তাহলে সে জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করবে। আর যদি শিক্ষার্থীদের গবেষণায় কোন চিত্র অঙ্কন করতে হয় তাহলে তারা সেটা পারবে। কারণ কোন জিনিস অতি জরুরী (না হলেই নয়) হয়ে গেলে তখন ইসলাম হারামকেও হালাল করে দেয়।
Little Known Ways to [Desirable Outcome]
Here you want to write a short paragraph that quickly explains exactly what your product/service is and how it’s the perfect solution for your potential customers
Benefit 01 Title
What does the customer get from buying your product or service.
Benefit 02 Title
To find benefits, ask yourself: “What result will they obtain?
Benefit 03 Title
Take one of the features of your offer and add “this will allow you to…”