Giving in the month of Ramadan | রমাদানে বেশি বেশি দান

সাওম বা রোজা

মহান আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত নিয়তসহকারে পানাহার থেকে বিরত থাকাকে সাওম বলে। সাওম আরবি শব্দ। এর ফারসি শব্দ রোজা। বহুবচনে বলা হয় সিয়াম। সাওম অর্থ পরিত্যাগ করা, বিরত থাকা। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের উপর সাওম ফরজ করেছেন, যেভাবে ফরজ করেছিলেন আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর। সাওম পালনের ফলে আমাদের মধ্যে আল্লাহর সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। সাওম বা রোজা একমাত্র ইবাদত, যেটি অদৃশ্যমান। অন্যসব ইবাদত করলে মানুষ চোখে দেখতে পারে কিন্তু সাওম পালনকারি ব্যক্তিদের কেউ চিহ্নিত করতে পারেনা। আমরা একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে সাওম পালন করি।

  • Ads
  • Ads

মুমিনের তাকওয়া বৃদ্ধি

পবিত্র রমজান মাসে সিয়াম পালন করা মুসলিমদের জন্য ফরজ। সিয়াম অবস্থায় মুসলিমরা চাইলে লুকিয়ে খাবার খেতে পারেন, কিন্তু তারা সেটা করেন না। কারণ তাদের দীর্ঘবিশ্বাস মহান আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে দেখছেন। রোজা রাখার ফলে মুমিন ব্যক্তির তাকওয়া বৃদ্ধি পায়। কোন ব্যক্তি যদি রোজা রাখার পরও মিথ্যা কথা বলে তাহলে তার তাকওয়া কমে যায়।

রমজান মাসের ফজিলত

অন্যসব মাসের চেয়ে 'রমজান' মাসের ইবাদত সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ। এটি একটি পবিত্র মাস। এ মাসে জান্নাতের প্রত্যেকটা দরজা খুলে দেয়া হয়। এবং এমাসে ইবাদত বা নেকআমল করলে তার সওয়াব বাড়ানো হয় জ্যামিতিক হারে, অথচ অন্যসব মাসে বাড়ানো হয় গাণিতিক হারে। 'পবিত্র রমজান' মাসে নফল ইবাদত করলে ফরজের সমান, একটা ফরজ ইবাদত করলে সাতশত গুণ সওয়াব এবং উমরা করলে হজের সমান সওয়াব পাওয়া যায়। 'রমজান' মাস হচ্ছে মুসলিমদের ইবাদতের মাস। এমাসে তাদের ইবাদতের পরিমাণ বহুগুণে বেড়ে যায়।

  • Ads
  • Ads

রোযাদার ব্যক্তিকে ইফতার করানো 

যেসব মুসলিম তাদের নেকআমলের পরিমাণ বাড়াতে চায়, তাদের জন্য রমজান মাস সবচেয়ে উত্তম। হযরত মুহাম্মদ (সা:) আমাদেরকে এমাসে বেশি বেশি দান করতে বলেছেন এবং তিনি নিজেও এ মাসে দানের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতেন। কোন ব্যক্তি তার কাছে সাহায্য চাইতে আসলে  তিনি কখনই তাকে খালি হাতে ফিরিয়ে দিতেন না। তাঁর সামর্থ্য অনুযায়ী তিনি ঐ ব্যক্তিকে সাহায্য করতেন। এছাড়া রমজান মাসে রোযাদার ব্যক্তিকে ইফতার করানো হলে রোজাদার ব্যক্তির সমান সওয়াব পাওয়া যায়। তাই আমরা অবশ্যই এমাসে রোজাদার ব্যক্তিকে ইফতার করাবো তাহলে আমাদের সওয়াবের পরিমাণ বেড়ে যাবে। রাসূল (সা:) বলেন, যদি ইফতার করানোর মতো সামর্থ্য না থাকে তাহলে একটি খেজুর ও একগট পানি দিয়ে তাকে ইফতার করিয়ে দিবে, এতেই তোমার সওয়াব আদায় হয়ে যাবে। দুনিয়াতে যারা বেশি বেশি দান করবে, তাদের আমলনামা দেখে কিয়ামতের দিন তারা নিজেরাই বিশ্বাস করতে পারবে না। আল্লাহ বলবেন, তুমি দান করেছ অল্প কিন্তু আমি সেই অল্প দানকে খাইয়ে-দাইয়ে পাহাড় সমান করে দিয়েছি। দান করলে সম্পদ কখনো কমে না বরং বৃদ্ধি পায়।

দান-সদকা করার নিয়ম

১. আল্লাহ তায়ালা হালাল উপার্জন থেকে দান করতে বলেছেন। কেননা হারাম উপার্জনকারীর দান ও দোয়া কোনটাই কবুল হয় না। 

২. ভালো জিনিস অর্থাৎ যে জিনিস নিজের জন্য উপযোগী সে জিনিস আল্লাহর পথে দান করা। কিছু মানুষ নিজের জন্য ভালোটা রেখে খারাপ জিনিস আল্লাহর পথে দান করে। এ ধরনের জঘন্য কাজ থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে। 

৩. নিজের প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত বা নিজের চাহিদা মেটানোর পর বাকিটা আল্লাহর পথে দান করে দেয়া।

৪. সৎ উদ্দেশ্যে দান করা। কিছু মানুষ লোক দেখানোর জন্য দান করে। এ ধরনের ব্যক্তিকে আল্লাহ তায়ালা জাহান্নামে প্রেরণ করবেন। 

৫. যে দান গোপনে করা হয়, সেটি আল্লাহর কাছে শ্রেষ্ঠ। অর্থাৎ 'ডান হাতে দান করলে যেন বাম হাত বুঝতে না পারে' এভাবে দান করা। গোপন দানের ফজিলত: মহান আল্লাহ তায়ালা কিয়ামতের দিন সাতশ্রেণীর ব্যক্তিকে তাঁর আরশের নিচে ছায়া দিবেন। তাদের মধ্যে একশ্রেণীর লোক হচ্ছে যারা গোপনে দান করে। 'গোপন দান' আল্লাহর কাছে খুব বেশি প্রিয়। 

৬. আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে যারা গরীব তাদেরকে প্রথমে দান করা। এরপর অন্যদের দান করা। 

৭. আত্মসম্মান হারানোর ভয়ে কিছু লোক অন্যের কাছে সাহায্য চাইতে পারেনা, তাদেরকে খুঁজে বের করে দান করা। 

৮. দান করার পর কোন ব্যক্তিকে খোঁটা দেয়া যাবে না। যদি কেউ সেটা করে তাহলে তার সমস্ত দান নষ্ট হয়ে যাবে। 

৯. মৃত্যুর আগে দান করা অর্থাৎ সুস্থ থাকা অবস্থায় দান করা। এ সময় দান করা আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয়।

  • Ads
  • Ads

উপসংহার

আমাদেরকে দানের ক্ষেত্রে মনোযোগী হতে হবে এবং বিপদ আসার আগেই আমাদেরকে দান করতে হবে। এছাড়া যেসব ধনী ব্যক্তিদের উপর যাকাত ফরজ হয়েছে, তাদের যাকাত আদায় করা। কারণ পৃথিবীতে আমরা যত অন্যায় করেছি তার শাস্তি জাহান্নামে যাওয়ার পরে পাব। কিন্তু যাকাত আদায় না করার ফলে যে শাস্তি পাব সেটা কিয়ামতের ময়দানেই দেয়া হবে। যাকাত গরিবের অধিকার। যাদের নিসাব পরিমাণ সম্পদ হওয়া সত্ত্বেও যাকাত আদায় করে না, তাদেরকে আল্লাহ তায়ালা কিয়ামতের দিন ভয়ঙ্কর শাস্তি দিবে। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে বোঝার তৌফিক দান করুক, আমিন।

Little Known Ways to [Desirable Outcome]

Here you want to write a short paragraph that quickly explains exactly what your product/service is and how it’s the perfect solution for your potential customers

Benefit 01 Title

What does the customer get from buying your product or service.

Benefit 02 Title

To find benefits, ask yourself: “What result will they obtain?

Benefit 03 Title

Take one of the features of your offer and add “this will allow you to…”